Holistic Report Card: বর্তমানে শিক্ষা ব্যবস্থাকে রাজ্যের সমস্ত শিক্ষার্থীদের কাছে আরো বেশি সহজ এবং স্মরণ করে তোলার জন্য রাজ্য সরকার একের পর এক নানা রকম সুযোগ সুবিধা নিয়ে আস। আর তাই এবার সেই পথে হাঁটতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদ। কেননা তারাও এবার পুরনো সকল শিক্ষা ব্যবস্থাকে ভুলে গিয়ে নয়া বা নতুন শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি নজর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদ।
আর সেই লক্ষ্য পূরণে রাজ্য মধ্যশিক্ষা পর্ষদ কে অনুসরণ করছে তারা। জানা গিয়েছে খুব শীঘ্রই নাকি এবার থেকে হোলিস্টিক রিপোর্ট কার্ড চালু করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা শিক্ষা পরিষদ। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কি এই হোলিস্টিক রিপোর্ট কার্ড ? কবে থেকেই বা চালু করা হবে সেই ব্যবস্থা ? সেটিই এবার জেনে নিন একটু বিস্তারিত আকারে।
হোলিস্টিক রিপোর্ট কার্ড আসলে কি ?
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ইতিমধ্যেই হোলিস্টিক রিপোর্ট কার্ড ব্যবস্থা চালু করেছে নিজেদের শিক্ষা ব্যবস্থায়। আসলে এই হলিস্টিক রিপোর্ট কার্ড হল এমন এক ধরনের মূল্যায়নের ব্যবস্থা, যেটার মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর সমস্ত রকম তথ্য থাকার পাশাপাশি ওই শিক্ষার্থীর পড়াশোনা প্রত্যেকটি বিষয় নিরিখে কতটা এগিয়ে বা বিছিয়ে এবং সামাজিকভাবে সে নিজেকে কতটা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে সেই বিষয়ে সমস্ত রকম তথ্য আলোচনা করা হয়। এছাড়াও সেই রিপোর্ট কার্ডে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীর সার্বিক উন্নয়ন নিয়োগ বেশ কিছু পরিকল্পনা কথা উল্লেখ করা থাকে।
কবে থেকে রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে এই ব্যবস্থা চালু হবে ?
সম্প্রতি নিউজ মাধ্যম সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, চলতি বছরেই প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত চালু করা হবে এই রিপোর্ট কার্ড। এই প্রসঙ্গে আবার মাদ্রাসা শিক্ষা পরিষদের সভাপতি আবু তাহের কামরুদ্দীন ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন যে, ইতিমধ্যেই মধ্যশিক্ষা পর্ষদ হোলি স্টিক রিপোর্ট কার্ড নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে। যার ফলে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের সুবিধা হবে ঠিক তেমনি শিক্ষকদের পড়াশোনা ক্ষেত্রে বেশি উপকার।
Read More: রাজ্যে খুব শীঘ্রই 2 লক্ষ শূন্যপদে কর্মী নিয়োগ হতে চলেছে
তবে জানা গিয়েছে যে, এখনই এই হলুদটি রিপোর্ট কার্ড তৈরি করা হবে না। কেননা এই বিষয়টি সম্পূর্ণ নতুন পর্ষদের কাছে, তাই এ ব্যবস্থা চালু করতে আগে শিক্ষক এবং শিক্ষা কর্মীদেরও প্রশিক্ষণ দিতে হবে, নাহলে সেটা অনুমতি সম্ভব হয়ে উঠবে না। এদিকে আবার ঈদের ছুটি মিছিলে শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীদের এই প্রশিক্ষণ হাইব্রিড মনে করানো হবে বলে জানা গিয়েছে।
কিন্তু মাদ্রাসা শিক্ষক মহলের একাংশের এই ব্যবস্থার প্রতি খানিক মতবিরতা রয়েছে। এছাড়াও তাদের মতে শিক্ষা ব্যবস্থায় এত বড় একটি কাজ তাড়াহড় করে করলে পড়ুয়াদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অনেক ভুল হতে পারে বলেও অনুমান করা হচ্ছে। এছাড়াও এই বিষয়টির ওপর নজর দিতে হয় পর্ষ। পুস্তিকা কারী সে রিপোর্ট কার্ড ইতিমধ্যে পৌঁছে গিয়েছে বিভিন্ন স্কুলে এবং পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণীর মধ্যে তিনটি পর্যায়ে ছাত্রছাত্রীদের মূল্যায়ন করা হবে বলে জানানো। এগুলি সমস্ত কিছু ছাড়াও রাজ্যের মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্র-ছাত্রীদের ভাতা বৃদ্ধি করা হবে। এতদিন পর্যন্ত প্রতি মাসে তাদের 1000 টাকা ভাতা হিসেবে দেওয়া হত, কিন্তু সেই টাকায় এবার 800 টাকা বৃদ্ধি পেয়ে 1800 টাকা করে দেওয়া হয়েছে।

Hello, I am Akash Mondal. I am working as a Bengali Senior Content Writer in ‘Sarkari Chakri’. I have an experience of 2 years on this Profession.Now I am trying to give my best effort on this Bengali news article site. Hope you like us. Feel free to leave a valuable comment and Star Mark for every news article Post. Thanks a lot for being with us.